উদ্বেগ নিয়ন্ত্রণ
November 25, 2025
উদ্বেগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে, আপনি যেসব কৌশল উল্লেখ করেছেন সেগুলো আরও গভীরভাবে এবং ধারাবাহিকভাবে অনুশীলন করলে মানসিক স্বাস্থ্যে উল্লেখযোগ্য উন্নতি আনা যায়।
গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুশীলন শরীরকে শান্ত করতে সাহায্য করে, কারণ এটি হৃদস্পন্দন কমায় এবং মস্তিষ্কে অক্সিজেন প্রবাহ বাড়িয়ে শিথিলতার অনুভূতি সৃষ্টি করে। মননশীলতা বা মাইন্ডফুলনেস আপনাকে বর্তমান মুহূর্তে স্থির থাকতে সহায়তা করে, ফলে অতীত ও ভবিষ্যতের চিন্তা থেকে সৃষ্ট মানসিক চাপ কমে। নিয়মিত ব্যায়াম—যেমন হাঁটা, দৌড়ানো, যোগব্যায়াম বা Stretching—এন্ডোরফিন নিঃসরণ বাড়িয়ে মনোভাব উন্নত করে এবং উদ্বেগ কমাতে ভূমিকা রাখে।
এর পাশাপাশি, সুষম খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখাও জরুরি। যথেষ্ট পরিমাণে পানি পান, পরিমিত কার্বোহাইড্রেট, শাকসবজি, ফল এবং প্রোটিন গ্রহণ শরীর ও মনকে সুস্থ রাখে। ভালো ঘুম মানসিক স্থিতিশীলতার অন্যতম প্রধান উপাদান—প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানো এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া উদ্বেগের মাত্রা কমাতে সহায়ক।
আপনার বিশ্বাসী কারো সাথে খোলামেলা কথা বলা মানসিক চাপ লাঘবের একটি কার্যকর উপায়, কারণ অনুভূতি ভাগ করে নিলে একাকিত্ব কমে এবং সহায়তা পাওয়ার অনুভূতি তৈরি হয়। ধীরে ধীরে আপনার ভয় বা অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়া আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং উদ্বেগের ওপর আপনার নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি, নেতিবাচক স্ব-কথোপকথনকে চ্যালেঞ্জ করে ইতিবাচক ও যুক্তিসঙ্গত চিন্তা গড়ে তোলা মানসিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বিশেষভাবে উপকারী।
এসব কৌশল নিয়মিতভাবে অনুশীলন করলে উদ্বেগ ধীরে ধীরে কমে আসে এবং আপনি আরও শান্ত, স্থির ও আত্মবিশ্বাসী অনুভব করতে শুরু করবেন।